ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণদের আস্থার প্রতীক: যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি হতে চান সাব্বির হোসেন হৃদয়

রাজনীতির মঞ্চে কিছু নাম আসে পদ-পদবীর জন্য, আবার কিছু নাম উঠে আসে দীর্ঘ ত্যাগ, সংগ্রাম, নির্যাতন আর অদম্য আদর্শিক বিশ্বাসের মধ্য দিয়ে।

তেমনই এক উদীয়মান তরুণ নেতা সাব্বির হোসেন হৃদয়, যিনি ছোটবেলা থেকেই বুকের ভেতর ধারণ করে চলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তার অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর আদর্শ।

শৈশবের সেই দিনগুলোতে, যখন এলাকায় কোনো মিটিং-মিছিল, সভা-সমাবেশ হতো, তখন ছোট্ট সাব্বির দৌড়ে গিয়ে অংশ নিতেন। বয়সে ছোট হলেও মননে ছিলেন রাজনীতির মাঠের এক সাহসী কর্মী। সেই সময় থেকেই নিজেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেন তিনি।

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে নীরবে, আড়ালে-আবডালে, নানা প্রতিকূলতা সহ্য করে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেছেন সাব্বির হোসেন হৃদয়। তার রাজনৈতিক পথচলা কখনোই মসৃণ ছিল না। জীবনের এই দীর্ঘ সময়ে তিনি সহ্য করেছেন নির্যাতন, নিপীড়ন, হামলা-মামলা, ভয়ভীতি তবুও তিনি পিছিয়ে যাননি একচুলও।

রাবার বুলেটের ক্ষতচিহ্ন আজও বহন করছেন

ছাত্র আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে নিজ শরীরে রাবার বুলেটের চিহ্নও বহন করছেন সাব্বির হোসেন হৃদয়।

তার ভাষায়,রাজনীতি আমার কাছে কোনো ব্যক্তিস্বার্থের জায়গা নয়, এটি আমার বিশ্বাস, আমার আদর্শ, আমার ভালোবাসা।

দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়েও তিনি কখনো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কাছে মাথা নত করেননি। ভয়, চাপ, লোভ কিংবা দমন,কিছুই তাকে তার আদর্শচ্যুত করতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাত তাকে আরও দৃঢ় করেছে।

বর্তমান পরিচয়: ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি

রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সাব্বির হোসেন হৃদয় পরিচিত ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে। পাশাপাশি তিনি ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এলাকার রাজনৈতিক কর্মসূচি, দলীয় মিটিং-মিছিল, সাংগঠনিক কার্যক্রম,সবখানেই তার সরব উপস্থিতি তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, সাব্বির হোসেন হৃদয় একজন তৃণমূলভিত্তিক, পরিশ্রমী, সাহসী ও কর্মীবান্ধব নেতা, যিনি সবসময় মাঠে থাকেন এবং দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়ান।

যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া চাইলেন

বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সাব্বির হোসেন হৃদয়।

ছোট-বড়, দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং এলাকাবাসীর কাছে তিনি দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন।

তিনি বলেন,আমি রাজনীতির মাঠে এখনো নিজেকে একজন কর্মীই মনে করি। আমার রাজনীতি যদি দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সহযোদ্ধা এবং জনগণের ভালো লাগে, তাহলে আমি চাই দল আমাকে একবার মূল্যায়ন করুক।

আমি ভালোবাসা, শ্রম আর সততা দিয়ে দলকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা, তারেক রহমানের কাছে আবেদন

সাব্বির হোসেন হৃদয় তার বক্তব্যে বিএনপি সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন,

“আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একজন আদর্শের নেত্রী। ছিলেন তিনি কখনো স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের ভালোবাসার জায়গা।

একইসঙ্গে তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর কাছেও নিজের আবেদন তুলে ধরে বলেন,

আমার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান একজন রাষ্ট্রনায়ক। আমি তার কাছে একজন ত্যাগী ছাত্রদল কর্মী হিসেবে আবেদন জানাই,তিনি যেন আমাকে দল থেকে একবার মূল্যায়ন করেন। আমি আমার প্রিয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে চাই।

ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা চাই

নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে সাব্বির হোসেন হৃদয় বলেন,আমি সবার মাঝে ভালোবাসা পেতে চাই, আবার সবার জন্য ভালোবাসা বিলিয়ে দিতেও চাই। রাজনীতি মানুষের জন্য, এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

 

তিনি মনে করেন, রাজনীতির মূল শক্তি হলো মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস। তাই পদ-পদবীর চেয়ে তিনি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান বেশি।

এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিবেন এ রাজনৈতিক নেতা

 

এলাকাবাসীর উদ্দেশে সাব্বির হোসেন হৃদয় দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,যেখানেই চাঁদাবাজি, লুটপাট, সন্ত্রাস, মাদক,যা-ই থাকুক না কেন, আপনারা আমাদের ডাক দিবেন। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে আপনাদের পাশে হাজির হব।

তিনি আরও বলেন,আমার দলের কেউ যদি কোনো অন্যায় করে, তাও আমি ছাড় দেব না। আমি চাই না আমার দলের কোনো বদনাম হোক। আমি সবসময় খেয়াল রাখব, যেন দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করতে না পারে।

তার এই বক্তব্য স্থানীয় জনমনে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। কারণ, তিনি শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং সন্ত্রাস, মাদক ও অপরাধমুক্ত এলাকা গড়ার অঙ্গীকার করেছেন।

আমি আপনাদেরই এলাকার সন্তান

সাব্বির হোসেন হৃদয় আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,

আমি আপনাদেরই এলাকার সন্তান। ছোটবেলা থেকেই এই এলাকায় বড় হয়েছি। আমার শৈশব, আমার খেলাধুলা, আমার বেড়ে ওঠা,সবকিছু এই এলাকাকে ঘিরে।

এলাকার মানুষের সঙ্গে তার এই আত্মিক সম্পর্কই তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে। তিনি মনে করেন,

একজন প্রকৃত নেতা সেই, যিনি নিজের এলাকার সুখ-দুঃখ, সমস্যা-সম্ভাবনা সবকিছু হৃদয়ে ধারণ করেন।

নতুন প্রজন্মের কাছে এক বার্তা

তরুণদের উদ্দেশে সাব্বির হোসেন হৃদয় বলেন,

রাজনীতি মানে সহিংসতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং দেশের জন্য কাজ করা। তরুণদের উচিত সৎ ও আদর্শিক রাজনীতির চর্চা করা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার ও জনসেবার রাজনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

নিজ বক্তব্যের একেবারে শেষে সাব্বির হোসেন হৃদয় সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন,

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি আপনাদের দোয়া সবসময় কামনা করি। আমি চাই, আমার এলাকা হবে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত এবং শান্তির এলাকা। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব নয়। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

তরুণদের আস্থার প্রতীক: যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি হতে চান সাব্বির হোসেন হৃদয়

তরুণদের আস্থার প্রতীক: যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি হতে চান সাব্বির হোসেন হৃদয়

আপডেট সময় ১১:৩২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

রাজনীতির মঞ্চে কিছু নাম আসে পদ-পদবীর জন্য, আবার কিছু নাম উঠে আসে দীর্ঘ ত্যাগ, সংগ্রাম, নির্যাতন আর অদম্য আদর্শিক বিশ্বাসের মধ্য দিয়ে।

তেমনই এক উদীয়মান তরুণ নেতা সাব্বির হোসেন হৃদয়, যিনি ছোটবেলা থেকেই বুকের ভেতর ধারণ করে চলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তার অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর আদর্শ।

শৈশবের সেই দিনগুলোতে, যখন এলাকায় কোনো মিটিং-মিছিল, সভা-সমাবেশ হতো, তখন ছোট্ট সাব্বির দৌড়ে গিয়ে অংশ নিতেন। বয়সে ছোট হলেও মননে ছিলেন রাজনীতির মাঠের এক সাহসী কর্মী। সেই সময় থেকেই নিজেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেন তিনি।

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে নীরবে, আড়ালে-আবডালে, নানা প্রতিকূলতা সহ্য করে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেছেন সাব্বির হোসেন হৃদয়। তার রাজনৈতিক পথচলা কখনোই মসৃণ ছিল না। জীবনের এই দীর্ঘ সময়ে তিনি সহ্য করেছেন নির্যাতন, নিপীড়ন, হামলা-মামলা, ভয়ভীতি তবুও তিনি পিছিয়ে যাননি একচুলও।

রাবার বুলেটের ক্ষতচিহ্ন আজও বহন করছেন

ছাত্র আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে নিজ শরীরে রাবার বুলেটের চিহ্নও বহন করছেন সাব্বির হোসেন হৃদয়।

তার ভাষায়,রাজনীতি আমার কাছে কোনো ব্যক্তিস্বার্থের জায়গা নয়, এটি আমার বিশ্বাস, আমার আদর্শ, আমার ভালোবাসা।

দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়েও তিনি কখনো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কাছে মাথা নত করেননি। ভয়, চাপ, লোভ কিংবা দমন,কিছুই তাকে তার আদর্শচ্যুত করতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাত তাকে আরও দৃঢ় করেছে।

বর্তমান পরিচয়: ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি

রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সাব্বির হোসেন হৃদয় পরিচিত ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে। পাশাপাশি তিনি ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এলাকার রাজনৈতিক কর্মসূচি, দলীয় মিটিং-মিছিল, সাংগঠনিক কার্যক্রম,সবখানেই তার সরব উপস্থিতি তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, সাব্বির হোসেন হৃদয় একজন তৃণমূলভিত্তিক, পরিশ্রমী, সাহসী ও কর্মীবান্ধব নেতা, যিনি সবসময় মাঠে থাকেন এবং দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়ান।

যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া চাইলেন

বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সাব্বির হোসেন হৃদয়।

ছোট-বড়, দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং এলাকাবাসীর কাছে তিনি দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন।

তিনি বলেন,আমি রাজনীতির মাঠে এখনো নিজেকে একজন কর্মীই মনে করি। আমার রাজনীতি যদি দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সহযোদ্ধা এবং জনগণের ভালো লাগে, তাহলে আমি চাই দল আমাকে একবার মূল্যায়ন করুক।

আমি ভালোবাসা, শ্রম আর সততা দিয়ে দলকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা, তারেক রহমানের কাছে আবেদন

সাব্বির হোসেন হৃদয় তার বক্তব্যে বিএনপি সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন,

“আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একজন আদর্শের নেত্রী। ছিলেন তিনি কখনো স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের ভালোবাসার জায়গা।

একইসঙ্গে তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর কাছেও নিজের আবেদন তুলে ধরে বলেন,

আমার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান একজন রাষ্ট্রনায়ক। আমি তার কাছে একজন ত্যাগী ছাত্রদল কর্মী হিসেবে আবেদন জানাই,তিনি যেন আমাকে দল থেকে একবার মূল্যায়ন করেন। আমি আমার প্রিয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে চাই।

ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা চাই

নিজের রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে সাব্বির হোসেন হৃদয় বলেন,আমি সবার মাঝে ভালোবাসা পেতে চাই, আবার সবার জন্য ভালোবাসা বিলিয়ে দিতেও চাই। রাজনীতি মানুষের জন্য, এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

 

তিনি মনে করেন, রাজনীতির মূল শক্তি হলো মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস। তাই পদ-পদবীর চেয়ে তিনি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান বেশি।

এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিবেন এ রাজনৈতিক নেতা

 

এলাকাবাসীর উদ্দেশে সাব্বির হোসেন হৃদয় দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,যেখানেই চাঁদাবাজি, লুটপাট, সন্ত্রাস, মাদক,যা-ই থাকুক না কেন, আপনারা আমাদের ডাক দিবেন। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে আপনাদের পাশে হাজির হব।

তিনি আরও বলেন,আমার দলের কেউ যদি কোনো অন্যায় করে, তাও আমি ছাড় দেব না। আমি চাই না আমার দলের কোনো বদনাম হোক। আমি সবসময় খেয়াল রাখব, যেন দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করতে না পারে।

তার এই বক্তব্য স্থানীয় জনমনে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। কারণ, তিনি শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং সন্ত্রাস, মাদক ও অপরাধমুক্ত এলাকা গড়ার অঙ্গীকার করেছেন।

আমি আপনাদেরই এলাকার সন্তান

সাব্বির হোসেন হৃদয় আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,

আমি আপনাদেরই এলাকার সন্তান। ছোটবেলা থেকেই এই এলাকায় বড় হয়েছি। আমার শৈশব, আমার খেলাধুলা, আমার বেড়ে ওঠা,সবকিছু এই এলাকাকে ঘিরে।

এলাকার মানুষের সঙ্গে তার এই আত্মিক সম্পর্কই তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে। তিনি মনে করেন,

একজন প্রকৃত নেতা সেই, যিনি নিজের এলাকার সুখ-দুঃখ, সমস্যা-সম্ভাবনা সবকিছু হৃদয়ে ধারণ করেন।

নতুন প্রজন্মের কাছে এক বার্তা

তরুণদের উদ্দেশে সাব্বির হোসেন হৃদয় বলেন,

রাজনীতি মানে সহিংসতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং দেশের জন্য কাজ করা। তরুণদের উচিত সৎ ও আদর্শিক রাজনীতির চর্চা করা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার ও জনসেবার রাজনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

নিজ বক্তব্যের একেবারে শেষে সাব্বির হোসেন হৃদয় সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন,

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি আপনাদের দোয়া সবসময় কামনা করি। আমি চাই, আমার এলাকা হবে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত এবং শান্তির এলাকা। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব নয়। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।