ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে পিবিআই উদঘাটন করলো ক্লুলেস হত্যার  রহস্য 

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, ফরিদপুর ইউনিটের তদন্ত দল একটি ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে। বুধবার (১০ ই জুলাই) পিবিআই, ফরিদপুর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার চর নসিপুর গ্রামের জসিম শেখের কিশোর পুত্র জিহাদ (১৪) এর মৃত দেহ ২০২২ সালের ০৩ রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থানার গঙ্গানন্দপুর ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিহাদের দাদা আব্দুল লতিফ সেখ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান, মামলাটি রাজবাড়ী জেলা পুলিশ তদন্ত করে উদঘাটন করতে না পেরে ওই বছরের শেষ দিকে হেডকোয়ার্টারের মাধ্যমে পিবিআই, ফরিদপুরের উপর তদন্তভার দেয়া হয়।
 পিবিআই, ফরিদপুরের পরিদর্শক মো. জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে তদন্তে ওই কিশোরকে বলাৎকার পুর্বক হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয় তদন্ত দল। পরে তদন্ত দল বিশেষ দক্ষতার সাথে বলাৎকারকারী কিশোর শাকিলের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক শাখায় পরীক্ষা করে মিল পাওয়া যায়। এতে তদন্তদল ওই কিশোরকে বলাতকার করে হত্যা করা হয়েছে বলে শতভাগ নিশ্চিত হন।
তিনি আরো জানান, ওই কিশোর এ হত্যাকান্ডের ২০২৩ সালে আরো এক কিশোরকে বলাৎকার করে হত্যা চেষ্টাকালে আটক হয়ে বর্তমানে গাজীপুরের শিশু কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ পরিদর্শক মো. জালাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী-পুলিশ সংঘর্ষ : পুলিশের গুলি, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত ২০

ফরিদপুরে পিবিআই উদঘাটন করলো ক্লুলেস হত্যার  রহস্য 

আপডেট সময় ১০:০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, ফরিদপুর ইউনিটের তদন্ত দল একটি ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে। বুধবার (১০ ই জুলাই) পিবিআই, ফরিদপুর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার চর নসিপুর গ্রামের জসিম শেখের কিশোর পুত্র জিহাদ (১৪) এর মৃত দেহ ২০২২ সালের ০৩ রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থানার গঙ্গানন্দপুর ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিহাদের দাদা আব্দুল লতিফ সেখ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান, মামলাটি রাজবাড়ী জেলা পুলিশ তদন্ত করে উদঘাটন করতে না পেরে ওই বছরের শেষ দিকে হেডকোয়ার্টারের মাধ্যমে পিবিআই, ফরিদপুরের উপর তদন্তভার দেয়া হয়।
 পিবিআই, ফরিদপুরের পরিদর্শক মো. জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে তদন্তে ওই কিশোরকে বলাৎকার পুর্বক হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয় তদন্ত দল। পরে তদন্ত দল বিশেষ দক্ষতার সাথে বলাৎকারকারী কিশোর শাকিলের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক শাখায় পরীক্ষা করে মিল পাওয়া যায়। এতে তদন্তদল ওই কিশোরকে বলাতকার করে হত্যা করা হয়েছে বলে শতভাগ নিশ্চিত হন।
তিনি আরো জানান, ওই কিশোর এ হত্যাকান্ডের ২০২৩ সালে আরো এক কিশোরকে বলাৎকার করে হত্যা চেষ্টাকালে আটক হয়ে বর্তমানে গাজীপুরের শিশু কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ পরিদর্শক মো. জালাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।