ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেরানীগঞ্জে অপহৃত শিশু উদ্ধার, দুই অপহরণকারী গ্রেফতার

কেরানীগঞ্জে পাঁচ লাখ  টাকা মুক্তিপণ  আদায়ের দাবিতে আট বছরের শাহিল (৮) নামে এক শিশুকে  অপহরণের ঘটনায় দুই অপহরনকারীকে
 গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।  গ্রেফতারকৃতরা হলো আল-আমিন (২৭) ও নুর ইসলাম (৩৫)।
আজ  মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায়  দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায়  এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য নিশ্চিত করেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার  অফিসার ইনচার্জ মো. মামুনুর অর-রসিদ। তিনি বলেন, গত রবিবার রাত আটটার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা ইউনিয়নের গোলাম বাজার এলাকার সানোয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ফল ব্যবসায়ী রুবেলের আট বছরের ছেলে শাহিল বাসার নীচ থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে তার মুঠোফোনে ফোন করে ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং বিষয়টি নিশ্চিত করতে অপহরণের পর ছেলেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থার একটি ভিডিও তার মোবাইলে পাঠানো হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে ছেলেকে হত্যা করা হবে এমন হুমকি দেয়াড় পর রুবেল কাউকে কিছু না বলে মুক্তিপণ দেয়ার জন্য টাকা জোগাড় করতে থাকে। পরে টাকা জোগাড় করতে না পেরে নিরুপায় হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই  প্রযুক্তির সহায়তায় আসামি শনাক্ত করে দুজনকে গ্রেফতার করে। এবং শিশু শাহিলকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী-পুলিশ সংঘর্ষ : পুলিশের গুলি, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত ২০

কেরানীগঞ্জে অপহৃত শিশু উদ্ধার, দুই অপহরণকারী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
কেরানীগঞ্জে পাঁচ লাখ  টাকা মুক্তিপণ  আদায়ের দাবিতে আট বছরের শাহিল (৮) নামে এক শিশুকে  অপহরণের ঘটনায় দুই অপহরনকারীকে
 গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।  গ্রেফতারকৃতরা হলো আল-আমিন (২৭) ও নুর ইসলাম (৩৫)।
আজ  মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায়  দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায়  এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য নিশ্চিত করেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার  অফিসার ইনচার্জ মো. মামুনুর অর-রসিদ। তিনি বলেন, গত রবিবার রাত আটটার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা ইউনিয়নের গোলাম বাজার এলাকার সানোয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ফল ব্যবসায়ী রুবেলের আট বছরের ছেলে শাহিল বাসার নীচ থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে তার মুঠোফোনে ফোন করে ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং বিষয়টি নিশ্চিত করতে অপহরণের পর ছেলেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থার একটি ভিডিও তার মোবাইলে পাঠানো হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে ছেলেকে হত্যা করা হবে এমন হুমকি দেয়াড় পর রুবেল কাউকে কিছু না বলে মুক্তিপণ দেয়ার জন্য টাকা জোগাড় করতে থাকে। পরে টাকা জোগাড় করতে না পেরে নিরুপায় হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই  প্রযুক্তির সহায়তায় আসামি শনাক্ত করে দুজনকে গ্রেফতার করে। এবং শিশু শাহিলকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।