ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সখিপুরে ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান : ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ তালাবদ্ধ 

রোগীর রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন ল্যাব পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি ডিগ্রি না থাকার পরেও নিজের পেট ও ভিজিটিং কার্ডে নাম বসানো হচ্ছে ডিগ্রি। এমন তথ্যে ভিত্তিতে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানায় তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি বেসরকারি ক্লিনিক। অভিযান পরিচালনা করে ওই ক্লিনিক মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল হাদি মোহাম্মদ শাহ্ পরাণ ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশন (ভুমি) ইমামুল হাফিজ নাদিম।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমন কুমার পোদ্দারও
বুধবার (২২ মে) শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান  বাজারের একটি ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সেইফ লাইফ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীর ল্যাব টেষ্টে অতিরিক্ত ফি, ভুয়া ডিগ্রী’
থাকার কারনে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন।
এছাড়া সখিপুর বাজরে সখিপুর ডায়াবেটিস এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ডাক্তারদের ডিগ্রী
সনদ না থাকলেও তারা তাদের ব্যবহৃত পেট ও ভিজিটিং কার্ড আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবং
তাদের এক্সেরে মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে রুমটিকে তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়।
শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. হাদি মোহাম্মদ শাহ্ পরাণ গণমাধ্যমকে বলেন, সেইফ লাইফ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করার সময় দেখা যায়, রোগীর রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন ল্যাব পরীক্ষায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের (ফি) অতিরিক্ত ফি আদায় করা হচ্ছে ক্লিনিকটিতে। এরপর ক্লিনিক মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি বন্ধ করে দিয়েছি। এবং সখিপুর ডায়াবেটিস এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্সরে মেশিন রুমটি তালা বদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এবং ডাক্তারদের ডিগ্রী সনদ না থাকার  পরেও তারা তাদের ব্যবহৃত পেট ও ভিজিটিং কার্ডে নাম বসানো হয়েছে যার কারনে তাদের ভিজিটিং কার্ড ও পেট গুলি আগুন দিয়ে পুড়ানো হয়েছে।
 এবং আগামীকালের মধ্যে কাগজ পত্র  ঠিক না করলে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের আদিবাসীদের শিক্ষা কর্মসংস্থান ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা দাবী

সখিপুরে ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান : ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ তালাবদ্ধ 

আপডেট সময় ০১:০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
রোগীর রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন ল্যাব পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি ডিগ্রি না থাকার পরেও নিজের পেট ও ভিজিটিং কার্ডে নাম বসানো হচ্ছে ডিগ্রি। এমন তথ্যে ভিত্তিতে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানায় তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি বেসরকারি ক্লিনিক। অভিযান পরিচালনা করে ওই ক্লিনিক মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল হাদি মোহাম্মদ শাহ্ পরাণ ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশন (ভুমি) ইমামুল হাফিজ নাদিম।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমন কুমার পোদ্দারও
বুধবার (২২ মে) শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান  বাজারের একটি ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সেইফ লাইফ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীর ল্যাব টেষ্টে অতিরিক্ত ফি, ভুয়া ডিগ্রী’
থাকার কারনে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন।
এছাড়া সখিপুর বাজরে সখিপুর ডায়াবেটিস এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ডাক্তারদের ডিগ্রী
সনদ না থাকলেও তারা তাদের ব্যবহৃত পেট ও ভিজিটিং কার্ড আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবং
তাদের এক্সেরে মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে রুমটিকে তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়।
শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. হাদি মোহাম্মদ শাহ্ পরাণ গণমাধ্যমকে বলেন, সেইফ লাইফ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করার সময় দেখা যায়, রোগীর রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন ল্যাব পরীক্ষায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের (ফি) অতিরিক্ত ফি আদায় করা হচ্ছে ক্লিনিকটিতে। এরপর ক্লিনিক মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি বন্ধ করে দিয়েছি। এবং সখিপুর ডায়াবেটিস এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্সরে মেশিন রুমটি তালা বদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এবং ডাক্তারদের ডিগ্রী সনদ না থাকার  পরেও তারা তাদের ব্যবহৃত পেট ও ভিজিটিং কার্ডে নাম বসানো হয়েছে যার কারনে তাদের ভিজিটিং কার্ড ও পেট গুলি আগুন দিয়ে পুড়ানো হয়েছে।
 এবং আগামীকালের মধ্যে কাগজ পত্র  ঠিক না করলে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।