ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডোমারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমারে শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন) নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দয়াল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিয়োগ বানিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।
অভিযোগ সুত্রে জানাযায় গত ১৭মে  শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন) নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীর চারটি শুন্য (অফিস সহায়ক,আয়া, নৈশ্যপ্রহরী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী)পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।  অফিস সহায়ক পদে সবুজ, নৈশ্য প্রহরী পদে আমানত শাহ,পরিচ্ছন্ননতা পদে সামিউল ইসলাম, আয়া পদে উম্মে কুলছুমের নাম প্রকাশ করে ফলাফল ঘোষনা করেন নিয়োগ বোর্ডের সদস্যেরা। এই নিয়োগে প্রধান শিক্ষক মোটা অংকের টাকা নিয়ে তার পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেন। সকল তথ্য গোপন রেখে নিয়োগকার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন প্রধান শিক্ষক দয়াল চন্দ্র । নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো হয়নি কোন নোটিশ। এমন একটি অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের তিন জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ইউপি সদস্য মহেশ চন্দ্র কর্মকার বলেন নিয়োগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আমাকে কিছু বলে নাই। স্থানীয় মানুষের মাধ্যমে জানতে পারলাম বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা হয়ে গেল। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষককে ফোন দিলে ফোন কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখেন। প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মিলে এই চার পদের নিয়োগে ৪০লাখ টাকা বানিজ্যে করেন।
ডোমার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ বলেন নিয়োগের বিষয়ে আমি অবগত নই। নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়ে আমাকে লিখিত অভিযোগ দিলে জানতে পারি। এবিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম বিপিএএ এর সাথে কথা বললে তিনি দু:খ প্রকাশ করেন। তিনিও নিয়োগের বিষয়ে জানেন না বলে আমাকে জানান।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক দয়াল চন্দ্র রায়ের সাথে হলে বলেন নিয়োগে বানিজ্যের বিষয়টি ভিত্তিহীন। সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগকার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নিয়োগ কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম বিপিএএ  লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন নিয়োগের বিষয়ে আমি অবগত নই। নিয়োগে ডিসির প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের আদিবাসীদের শিক্ষা কর্মসংস্থান ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা দাবী

ডোমারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

নীলফামারীর ডোমারে শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন) নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দয়াল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিয়োগ বানিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।
অভিযোগ সুত্রে জানাযায় গত ১৭মে  শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন) নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীর চারটি শুন্য (অফিস সহায়ক,আয়া, নৈশ্যপ্রহরী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী)পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।  অফিস সহায়ক পদে সবুজ, নৈশ্য প্রহরী পদে আমানত শাহ,পরিচ্ছন্ননতা পদে সামিউল ইসলাম, আয়া পদে উম্মে কুলছুমের নাম প্রকাশ করে ফলাফল ঘোষনা করেন নিয়োগ বোর্ডের সদস্যেরা। এই নিয়োগে প্রধান শিক্ষক মোটা অংকের টাকা নিয়ে তার পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেন। সকল তথ্য গোপন রেখে নিয়োগকার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন প্রধান শিক্ষক দয়াল চন্দ্র । নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো হয়নি কোন নোটিশ। এমন একটি অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের তিন জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ইউপি সদস্য মহেশ চন্দ্র কর্মকার বলেন নিয়োগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আমাকে কিছু বলে নাই। স্থানীয় মানুষের মাধ্যমে জানতে পারলাম বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা হয়ে গেল। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষককে ফোন দিলে ফোন কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখেন। প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মিলে এই চার পদের নিয়োগে ৪০লাখ টাকা বানিজ্যে করেন।
ডোমার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ বলেন নিয়োগের বিষয়ে আমি অবগত নই। নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়ে আমাকে লিখিত অভিযোগ দিলে জানতে পারি। এবিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম বিপিএএ এর সাথে কথা বললে তিনি দু:খ প্রকাশ করেন। তিনিও নিয়োগের বিষয়ে জানেন না বলে আমাকে জানান।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক দয়াল চন্দ্র রায়ের সাথে হলে বলেন নিয়োগে বানিজ্যের বিষয়টি ভিত্তিহীন। সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগকার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নিয়োগ কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম বিপিএএ  লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন নিয়োগের বিষয়ে আমি অবগত নই। নিয়োগে ডিসির প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন।