ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জমি নিয়ে মারামারির ঘটনায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ডিএমখালী কালাই সরকার  কান্দি এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় এক  অন্তঃসত্ত্বা নারীর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে এমন অভিযোগ তুলে ১৭ জনকে আসামি করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত শরীয়তপুর মামলা করেন ওই নারির খালা শাশুড়ী ফাহিমা ইসলাম নামে এক নারী। তবে এই মামলায় অধিকাংশ আসামিই বৃদ্ধ তাদের বয়স ৬০ বছরের ওপরে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ সরদার ও এবাদুল্লাহ সরদারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি নিয়ে  বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ২২/৪/২০২৪ইং সোমবার সকালে জমিতে হাল চাষ করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন মারামারি সংঘর্ষে জরিয়ে পড়ে। এসময় দুপক্ষের লোকজন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে, ভেদরগঞ্জ ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এবিষয়ে মামলার বাদী ফাহিমা ইসলাম বলেন, জমি নিয়ে তাদের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ। ওইদিন সকালে  এবাদুল্লাহ সরদার তাদের লোকজন নিয়ে আমার ভাই, বোন সহ অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূর ওপর হামলা চালায় এতে আমার পুত্রবধূর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এবং অনান্য দের মাথা, হাত, পা, ফেটে যায়। আমি মামলা করেছি ন্যায় বিচার পাবার জন্য।
এবিষয়ে ওই অন্তঃসত্ত্বা নারী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা, আমি পেটে আঘাত পেয়েছি, ডাঃ আমাকে ঔষধ দিয়েছে, বাচ্চা মরে নাই, কিন্তুু একটু লরেচরে কম। এক সপ্তাহ পর পরিক্ষা করানো হবে, এর পর বলা যাবে।।
এবিষয়ে ওই অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর মামলায় আসামি হওয়া মাহন সরদার বলেন, আমাদের সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফিরোজ সরদারের সাথে বিরোধ। এবিষয়ে একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদে দরবার হয়েছে। কিন্তুু ফিরোজ সরদার মিমাংসায় না গিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে যে-ই অন্তঃসত্ত্বা নারীর বাচ্চা নষ্ট হয়েছে বলে মামলা করেছে এটা সম্পুর্ন মিথ্যা মামলা। মারামারির সময় ওই মহিলা উপস্থিত ছিলো না। আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, এবিষয়ে আদালতে দু’পক্ষের মামলাই চলমান। আমরা একজন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। বাচ্চা নষ্টের বিষয়টি তদন্ত শেষে বলা যাবে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের আদিবাসীদের শিক্ষা কর্মসংস্থান ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা দাবী

জমি নিয়ে মারামারির ঘটনায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:০৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ডিএমখালী কালাই সরকার  কান্দি এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় এক  অন্তঃসত্ত্বা নারীর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে এমন অভিযোগ তুলে ১৭ জনকে আসামি করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত শরীয়তপুর মামলা করেন ওই নারির খালা শাশুড়ী ফাহিমা ইসলাম নামে এক নারী। তবে এই মামলায় অধিকাংশ আসামিই বৃদ্ধ তাদের বয়স ৬০ বছরের ওপরে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ সরদার ও এবাদুল্লাহ সরদারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি নিয়ে  বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ২২/৪/২০২৪ইং সোমবার সকালে জমিতে হাল চাষ করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন মারামারি সংঘর্ষে জরিয়ে পড়ে। এসময় দুপক্ষের লোকজন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে, ভেদরগঞ্জ ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এবিষয়ে মামলার বাদী ফাহিমা ইসলাম বলেন, জমি নিয়ে তাদের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ। ওইদিন সকালে  এবাদুল্লাহ সরদার তাদের লোকজন নিয়ে আমার ভাই, বোন সহ অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূর ওপর হামলা চালায় এতে আমার পুত্রবধূর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এবং অনান্য দের মাথা, হাত, পা, ফেটে যায়। আমি মামলা করেছি ন্যায় বিচার পাবার জন্য।
এবিষয়ে ওই অন্তঃসত্ত্বা নারী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা, আমি পেটে আঘাত পেয়েছি, ডাঃ আমাকে ঔষধ দিয়েছে, বাচ্চা মরে নাই, কিন্তুু একটু লরেচরে কম। এক সপ্তাহ পর পরিক্ষা করানো হবে, এর পর বলা যাবে।।
এবিষয়ে ওই অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর মামলায় আসামি হওয়া মাহন সরদার বলেন, আমাদের সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফিরোজ সরদারের সাথে বিরোধ। এবিষয়ে একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদে দরবার হয়েছে। কিন্তুু ফিরোজ সরদার মিমাংসায় না গিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে যে-ই অন্তঃসত্ত্বা নারীর বাচ্চা নষ্ট হয়েছে বলে মামলা করেছে এটা সম্পুর্ন মিথ্যা মামলা। মারামারির সময় ওই মহিলা উপস্থিত ছিলো না। আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, এবিষয়ে আদালতে দু’পক্ষের মামলাই চলমান। আমরা একজন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। বাচ্চা নষ্টের বিষয়টি তদন্ত শেষে বলা যাবে।