সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে আউশ ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষক 

মিজানুর রহমান সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইরি জাতের আউশ ধান রোপনে বেস্ত সময় পার করছেন কৃষক।
 সরেজমিন গুরে দেখা যায় ,স্তানীয় নামে চায়না ইরি (আউশ) ধান অত্র মৌসুমে জমিতে রোপন করা হয়ে থাকে।এই জাতের আউশ ধান উৎপাদন করতে সময় লাগে ৭০–৮০ দিন। প্রতি ৩০ শতকে ৮–১২ মন পর্যন্ত ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের আউশ ধান  উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের গামাইর তলা গ্রামের কৃষক মানিক মিয়া আউশ ধান রোপনে বেস্ত সময় পার করছেন। তিনি জানান,৩ বছর যাবৎ এ ধানের ফসল করে আসছেন। এ ধান উৎপাদনে সময় এবং খরচ কম লাগে। উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের রংপুর গ্রামের কৃষক আঃরোফ জানান, ৩-৪ বছর যাবৎ এ ধানের ফসল করে আসছি।এ ধানের ফসল উৎপাদনের সময় হচ্ছে বৈশাখ মাসে থেকে শ্রাবন মাস পর্যন্ত। এ ধান কেটে আবার ঐ জমিতেই অগ্রাহনি আমন ধান রোপন করা যায়।
 বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সামছুল আলম বিধু  জানান,আমাদের উপজেলার উচু এলাকায় এ ধান উৎপাদন করতে কোন সমম্যা হবে না।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া বলেন, অত্র উপজেলার প্রায় ৩ টি ইউনিয়নের উচু অংশের অনেক জমিতে এ ধান রোপন করা যায়। বোর ধান কাটার পর এ ধান রোপন করা যায় এবং ঐ জমিতেই আমন ধান রোপনে কোনো ক্ষতি হয় না। এ ধান উৎপাদনে সময় এবং খরচ কম লাগে। তাই এ ধান উৎপাদন কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি।