রাজশাহীতে মানা হচ্ছে না বিধি-নিষেধ, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছে বাস

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ

দিনে দিনে ওমিক্রন এর প্রভাব বেড়েই চলেছে।সরকার বিভিন্ন বিতি নিষেধ ঘোষনা করলেও  মানছে আমজনতা।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে করোনার ঝূঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গ্রিণ জোনে চিহ্নিত করা হলেও রাজশাহীতে মাক্সসহ স্বাস্থ্যবিধি মানায় উদাসীনতা কাটেনি এখনো। ফলে যাত্রীবাহী বাসে পথে ঘাটে, বাস ও ট্রেনে সর্বত্রই উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।

নির্দেশনায় রয়েছে গণপরিবহণে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার। কিন্তু রাজশাহীর আন্তঃপরিবহণ ও দূরপাল্লার অধিকাংশ পরিবহণসহ ট্রেনেও মাস্ক ব্যবহারে যাত্রীদের উদাসীনতা দেখা গেছে।এমনকি বাসে হাঁফ যাত্রী পরিবহণের সিদ্ধান্ত হলেও সেটিও মানা হচ্ছে না।যাত্রীদের মুখের মাস্ক কারো পকেটে, কারো বা মুখে, কারো কারো থুতনিতে দেখা গেছে। নিয়ম মানতে বলারও কাউকে দেখা যায়নি।আজ  সকালে বাস্ট্যান্ডে গিয়ে এ চিত্র দেখা যায়। চলন্ত বাসগুলোতেও যাত্রীদের মধ্যে মাস্ক পড়ায় উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। শুধু তাই নয়, অটো বা অটোরিক্সাগুলোর চালক থেকে শুরু করে অনেক যাত্রীদের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। সেই সঙ্গ পথচারীদের একই অবস্থা।

নগরীর শিরোইল বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী সফিক হোসেন বলেন, ‘ঢাকায় যাবো।নতুন করে ওমিক্রনের সংক্রমণের কারণে আমি চিন্তিত। সরকারি নির্দেশনা জারি করার আগে থেকেই মাস্ক পড়ছি। কিন্তু নির্দেশনা জারি করার পরেও বাসের অন্যযাত্রীদের মুখে মাস্ক দেখছিনা।তবে বাসে আসন সংখ্যার চেয়ে যাত্রী সমান/অতিরিক্ত ছিল। প্রায় প্রতিটি আসনেই যাত্রী ছিল।

ড্রাইভার সবুজ বলেন, ‘আমাদের পরিবহন সরকারি নির্দেশনা মেনেই চলছে। এজন্য সে সকলযাত্রী আমরা উঠাচ্ছি না যাদের করোনার টিকা দেয়া নেই। তাছাড়া মাস্ক পরিধানএবং দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করছি।কিন্তু সব সিটেই যাত্রী তোলা হচ্ছে।’

অন্যদিকে, আন্তঃউপজেলা পর্যায়ের বাসগুলোতে সিটের চেয়েও অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করতে দেখা গেছে। অর্ধেক সিট ফাঁকা রাখার কোনো বালাই নাই। অধিকাংশের মুখে মাস্কও দেখা যায়নি। এনিয়ে বাঘা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসের যাত্রী শ্যামলী সরকার বলেন, ‘কেউ মাসক পড়ছে না, তা হলে আমি পড়ে কি হবে? গ্রামের মানুষ তো মাসক পড়া ভুলেই গেছেই। আমরাও গ্রাম থেকে আসছি। মাস্ক আনতেও ভুলে গেছে।’