চরফ্যাসনে ট্রলার ডুবিতে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার 

এ আর শোহেব চৌধুরী
চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধিঃ
মেঘনায় ট্রলার ডুবিতে দুইজন নিখোঁজের তিনদিন পর একজনের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৯অক্টোবর) সকালে বয়ারচর নামক স্থান থেকে স্থানীয় একটি মৃতদেহ দেখে দক্ষিণ আইচা থানা ও চরমানিকা কোষ্টগার্ডকে অবগত করলে তারা খবর পেয়ে ওই লাস উদ্ধার করেন। প্রাথমিকভাবে ওই লাসের পরিচয় সশনাক্ত করা গিয়েছে। মৃতদেহটির বিষয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চরমানিকা স্টেশন কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম ওয়ালিউল্লাহ নিশ্চিত করে বলেন ট্রলার ডুুুবির
ঘটনায় দুই মা ছেলে নিখোঁজ হন।
মরদেহটি ছেলে স্বপনের বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি উদ্ধার করে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, স্বপনের মৃতদেহটির বিষয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাঁর পরিবারের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে কিন্তু স্বপনের মা বিলকিস বেগম এখনো নিখোঁজ রয়েছে। গত রোবিবার দুপুরে দক্ষিণ আইচা থানার চরকুকরি মুকরি ইউনিয়নের চর পাতিলা থেকে পণ্যবাহী একটি ট্রলার চর কচ্ছপিয়া ঘাটে আসার পথে মেঘনা নদীতে হটাৎ  ঘুর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে। ওই ট্রলারে একই পরিবারের ৯ জন নদী পার হওয়ার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উলটে গিয়ে ডুবে যায়। ঘটনাস্থলে জোনায়েদ (৩) নামের এক শিশু নিহত সহ স্বপন (৩০) ও বিলকিস (৫০) নামের মা ছেলে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে চরমানিকা আউটপোষ্ট কোষ্টগার্ড ও স্থানিয়রা উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে জোনায়েদকে মৃত সহ ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। গত রোববার দিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে নিখোঁজদের কোন সন্ধান না পাওয়ার কারনে চরকুকরী মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরীর অভিযান প্রয়োজনীতার কথা জানালে সোমবার দুপুরে বরিশাল থেকে ডুবুরী জালাল উদ্দীন ও বেলাল হোসেন সহ ভোলা জেলা ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি আবদুর রাজ্জাক ও চরফ্যাসন ষ্টেশন কমান্ডার আসাদুজ্জামানের নের্তৃত্বে ৭ জন দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে সন্ধ্যা নাগাদ চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও নদী শীতল না হওয়ার কারনে উদ্ধার অভিযান  সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। জানাযায়, স্বপন চরপাতিলায় শশুর বাড়ি বেড়াতে এসে ৩দিন পর মুজিবনগরে নিজ বাড়ী ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।