সমাজসেবী তরুন প্রজন্মের ক্রীড়া অনুরাগী ফয়সাল সুমন মোল্লা

জয়নাল আবেদীন, লক্ষ্মীপুর।।

লক্ষ্মীপুর জেলায় বর্তমানে এমন একজন সমাজসেবী তরুন প্রজন্মের ক্রীড়া অনুরাগী ব্যক্তি কমই রয়েছেন। যিনি কেবল দল-মত নির্বিশেষে সবার অন্তুরে জায়গা করে নিতে পেরেছেন। যার সুনাম-সুক্ষেতি,অর্জন রয়েছে নিজ এলাকা ১ নং উত্তর হামছাদী ৫ নং ওয়ার্ড হাসুন্দী গ্রাম ছাড়াও দেশ বিদেশ জুড়ে সবার মাঝে । আর তিনি এখন জন সাধারনের মাঝে সমাজসেবী হিসেবে পরিচিতি।

এমন আরেকজন লোক কি রয়েছেন? যিনি নিজের কথা না ভেবে কেবল জনগণের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন। জনগণের দুঃখ-দূর্দশা লাগবেও রেখেছেন অগ্রণী ভুমিকা। তিনি এমনই একজন ব্যাক্তি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের হাসুন্দী গ্রামে ফয়সাল সুমন মোল্লা একটি মুসলিম সমভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতার নাম হাজ্বী মফিজ মোল্লা (এ বি),মাতা-হাজী রাসিদা শামসুর নাহার।

তিনি ২০১৫ সালে নিজ উদ্যেগে জেলার বিভিন্ন স্কুলে কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করনে।নিজ খরচে মোল্লা নাইট রাইডার্স মাধ্যমে ২০১৬ সালে টিভি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসনের মো: নোমান এমপি। এছাও বর্তমানে তিনি বাংলাদেশে এসোসিয়েশন জেনভা ইটালী’র সাংগঠনিক সম্পাদক।

লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতির ইটালী’র সাধারন সম্পাদক,আলোর দিশারী সমাজ কল্যান সংঘ সভাপতি। মোল্লা নাইট রাইডার্স এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আরো অনেক সামাজীক প্রতিষ্ঠানের সাথে সমাজের উন্নয়ন মূলক কাজ করে থাকেন।এছাও স্যভ দ্যা ফিউচার ঢাকার বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে নিজেকে সম্পক্ত রেখেছেন। এক কথায় বলা চলে এখন তিনি জনগণের আস্থার মানুষ। তার ব্যক্তিত্ব আর যোগ্যতা, সহানুভুতি ও মানুষের মন জয় করার অপরিসীম ভালোবাসার মানুষে পরিনত হয়েছেন তিনি।

বিভিন্ন এলাকার গরীব মেয়েদের বিয়েতে সাহায্য প্রদান, অসংখ্য অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার খরচ বহন, রাস্তা-ঘাট মেরামতের জন্য অর্থ প্রদান, বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগীতা করে আসছেন।এছাও তিনি গোপনে দান করতে প্রচন্দ করেন।

অসহায় ভূমি-হীন সাহায্য করার লক্ষ্যে অক্রান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কেবল তাই নয় যে কেউ বিপদে পড়লে তার ডাকে সর্বদা সাড়া দিচ্ছেন এমনকি দল-মত নির্বিশেষে সবার উপকার করে চলেছেন। তার জীবন চলা শিক্ষার আলো দিয়ে। একজন সাদা মাঠা মনের অধিকারী তিনি। তার প্রচেষ্টা আর ভালোবাসায় অনেক অসহায় মানুষ উপকৃত হয়েছে।

ব্যক্তি জীবনে একজন নামাজী,সদালাপী আর হাশি-খুশি থাকা মানুষটি তার পরিবারকেও গড়ে তুলেছেন নিজের মত করে। তিনি পরিচিতি অর্জন করেছেন সু-শিক্ষা,ভদ্রতা আর ভালো আচরণ দিয়ে। বিপদে পড়া মানুষের ডাকে কখনো তিনি বিরক্তি বোধ করেননি। শত সমস্যার মাঝেও অসহায় মানুষকে কখনো ভুলে যাননি। হৃদয় দিয়েছেন সবাইকে। তিনি এমনি একজন মহান মানুষ, যার গুনের কথা এখন সবার মুখে।