লালমনিরহাটের ওসির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক সংবাদ পরিবেশন, সাধারন মানুষের মাঝে নিন্দার ঝড়

মিজানুর রহমানঃ
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলমের নামে মিথ্যে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করায় সাধারন মানুষের মাঝে নিন্দার ঝড়।সোশ্যাল মিডিয়ায় সব শ্রেনীর মানুষের তীব্র প্রতিবাদ।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে দুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়,সেই ভিডিও কে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক পত্রিকায় ঘুষ গ্রহণের অপবাদ দিয়ে একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়,সংবাদে দাবী করা হয় ওসি মাহফুজ আলম ঘুষ নেবার আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজ ব্যাবহার করছেন এবং কথোপকথনে বলছেন টাকায় করোনা ছড়ানোর সম্ভবনা বেশী, ঐ ভিডিওতে কোথাও টাকা গ্রহণ করার দৃশ্য ছিলনা,তবে সংবাদাতা ভিডিওর মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজ ব্যাবহার করার দৃশ্য মার্ক করে দেখিয়েছেন। পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া এন, টিভি ও যমুনা টিভিতে ঐ সংবাদটি প্রচার করা হলে শহড় জুড়ে আলোচনার ঝড় উঠে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম একজন দক্ষ,নিষ্ঠাবান ও মানবিক পুলিশ হিসেবে লালমনিরহাট সদর উপজেলা বাসীর কাছে পরিচিত, তার সম্পর্ক্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় সাধারন মানুষ বিস্মিত হয়েছেন,দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক রেজাউল করিম স্বপন অভিমত ব্যাক্ত করে বলেন ওসি মাহফুজ আলম একজন অত্যন্ত বিনয়ী এবং ভদ্র মানুষ,তার সম্পর্ক্যে এই ধরনের প্রপাগান্ডা ছড়ানোর মধ্যে কোন ষঢ়যন্ত্র কাজ করছে এটা নিশ্চিত।লালমনিরহাট জেলা বিএমআই সাংবাদিক কল্যান ট্রাস্টের সাধারন সম্পাদক ও আমার সংবাদ রংপুর বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান শরিফুল ইসলাম রতন বলেন, ওসি মাহফুজ আলম একজন কর্তব্য পরায়ন পুলিশ অফিসার, তিনি দক্ষতার সহিত লালমনিরহাট সদর উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিবস্থা রেখেছেন,তার সম্পর্ক্যে এই ধরনের অপপ্রচার পূর্ব পরিকল্পিত সাজানো নাটক,আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন এই প্রতিবেদক কে বলেন ওসি মাহফুজ আলম একজন সৎ যোগ্য পুলিশ কর্মকর্তা, তার সময়ে সীমান্তবর্তী মাদক নির্মূলে পুলিশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে ,সেই সাথে সাধারন মানুষ আইনি সেবা পেতে থানায় আসতে কোন প্রতিবন্ধকতা তিনি রাখেন নি ফলে গ্রামের নিরীহ মানুষ সন্তুষ্ট। ওসি মাহফুজ আলমের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে।

ওসি মাহফুজ আলমের মুখোমুখি হলে তিনি জানান আমি এই থানায় যোগদান করার পর পুলিশি সেবা প্রদানে সাধারন মানুষের জন্য সহজতর করে দিয়েছি, সীমান্তবর্তী এলাকার মাদক নির্মূলে রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে লালমনিরহাট সদর থানা পঞ্চমবার শ্রেষ্ট থানা হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে,করোনা কালে মানবিক দৃষ্টি কোন থেকে আমি এবং আমার সদর থানার পুলিশ মানুষের পাশে কিভাবে দাঁড়িয়েছে সেটা আপনারাই বিচার করুন, এছাড়া সাংবাদিক ভাইদের পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনে যখন যে ধরনের সহযোগিতা তারা চেয়েছে আমি তা করেছি ,তাই আমার বিরুদ্ধে ষঢ়যন্ত্র মূলক যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তার সত্য মিথ্যার জবাব সদর থানাবাসী দিবে।

লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন,কোন পুলিশের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ  সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত পূূূূর্বক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।