মোড়েলগঞ্জ-শরনখোলা বাসীর অক্সিজেন,   হৃদয়ের স্পন্দন – জনতার নেতা সোহাগ

এম এইচ শান্ত,
বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে  চির কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোড়েলগঞ্জ – শরনখোলা বাসী, বাগেরহাট জেলা কৃতি সন্তান এইচ এম  বদিউজ্জামান  সোহাগ কে আওয়ামী যুব লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির  সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করায়। জনতা হওয়ার ইতিহাস
এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ  বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের  কালিকা বাড়ী গ্রামে   মুসলিম সম্ভান্ত্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন,বড় বাড়ীর সন্তান বলে সুপরিচিত। সে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন এস,বি কালিকা বাড়ী সরকারি  বিদ্যালয় থেকে, তার পিতা মরহুম আবু তালিব হাওলাদার সে বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৯১ সালে প্রাথমিক শিক্ষার গন্ডি পেরিয়ে ১৯৯২ সালে ভর্তি হন বলইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৯৭ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫ বিষয় লেটার মার্স সহ কৃত্বিতের সাথে প্রথম বিভাগে  উত্তীর্ণ হন।পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সেলিমাবাদ কলেজ থেকে ৪ বিষয় লেটার মার্স সহ মাধ্যমিক শিক্ষার সফল সমাপ্তি টানেন।  তারপর ঢাকায় এসে ১৯৯৯-২০০০ সেশনে ঢাকা কলেজে উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে  ভর্তি হন। কিছু দিন পরে সেশনে জাহাঙ্গীর নগর   বিশ্ববিদ্যালয়ে গনিত বিভাগে ভর্তি হন। কিছু দিন পরে মেধার স্বাক্ষর রেখে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সুযোগ লাভ করেন এবং ভর্তি হন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে ২০০৪ সালে বি এস সি এবং ২০০৫ সালে  এম এস  ডিগ্রি লাভ করেন। রাজনীতি জীবন টা শুরু হয়েছিল ছোট বেলা বাবার হাত ধরে,তার পিতা মরহুম আবু তালিব হাওলাদার ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর শেখ আব্দুল আজিজের একনিষ্ঠ ভক্ত। ১০ ম শ্রেণি পড়াশোনা করা অবস্থায় ১৯৯৬ সালে  দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  ভোট ও ভাতের  অধিকার অসহযোগ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৯৮ সালে সেলিমাবাদ কলেজ  শাখা ছাত্র লীগের আহবায়ক হিসেবে মনোনিত হন। ২০০০-২০০১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র লীগের ব্যানারে, মিছিলে , শ্লোগানে – শ্লোগানে  নিয়মিত মুখরিত হয়ে উঠেন। ২০০২ সালে ২১ শে নভেম্বর  তৎকালীন অমর একুশে হল শাখার ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন হন। ২০০৬ সালে ৩-৪ এপ্রিল সম্মেলনে    ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক মনোনীত হন।অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে ১১ জুলাই কেন্দ্রীয় সম্মেলনে সারা বাংলাদেশর কাউন্সিলার দের  প্রত্যক্ষ ভোটে যোগ্যতম সাহসী, মজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সভাপতি নির্বাচিত হন। সভাপতি হয়ে সারা বাংলার ছাত্র সমাজের কান্ডারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।  দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আস্হা আর নির্ভরতা প্রতীক হয়ে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সুসংগঠিত করতে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করছেন। ২০১৫ সালে সম্মেলন থেকে বিদায় নেওয়ার পর মোড়েলগঞ্জ – শরনখোলা তৃণমূলের মানুষের সাথে রাজনীতি করতে অভিপ্রায় ব্যক্ত করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সু্যোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাগেরহাট জেলা আওয়ামিলীগে   কার্যনির্বাহী  কমিটির সদস্য নির্বাচিত করেন।এবং মোড়েলগঞ্জ – শরনখোলা মানুষের সাথে রাজনীতি করার সুগম পথ তৈরি করে দেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির আন্তর্জাতিক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক   উপকমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। তিনি মোড়েলগঞ্জ – শরনখোলার মানুষের নয়নের মনি, তিনি জনতার নেতা, তিনি  এলাকায় উন্নয়নে কাজ করে। তিনি মোড়েলগঞ্জ – শরনখোলা বাসীর প্রানের স্পন্দন – এইচ এম  বদিউজ্জামান  সোহাগ ।