বরগুনায় কাঁচাবাজার ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে করছে সুদের চেয়েও বড় ব্যবসা 

অলিউল্লাহ ইমরান, বরগুনাঃ
বরগুনায় কাঁচাবাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে একটি কুচক্রী মহলের জন্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না কাঁচা বাজার ব্যাবসায়িক কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মূলত বাজার তদারকির অভিযোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট জেলার কাঁচা বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে। কুচক্রী মহল পকেট কাটছে ক্রেতাদের।
কাঁচামালের ইচ্ছে মতো একেক বাজারে একেক দাম নেওয়া হচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করে আসছেন। কাঁচা বাজার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন ক্রেতারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কাঁচা বাজারের নির্দিষ্ট স্থান থাকা সত্ত্বেও একটি কুচক্রী মহল সেই স্থানের বাইরে তিনটি দোকান বসিয়ে ক্রেতাদের পকেট কাটছে কেজিতে কমপক্ষে ২০/৩০ টাকা বাড়িয়া নিচ্ছে । প্রধান সড়কের সাথে থাকার কারণে ক্রেতাদের চোখে ধুলা দিয়ে ক্রেতাদের পকেট কাটছে এই ৩ ব্যবসায়ী। স্থানীয়রা আরও বলেন কাঁচা বাজারের দোকান গুলো নির্দিষ্ট স্থানে বসলে বরগুনা শহরের শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
শুক্রবার সকালে বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা বাজারের নির্দিষ্ট স্থানে যে সিম ১০০ টাকা বিক্রি হয় সেই সিম কুচক্রী মহল বিক্রি করছে ১৪০ টাকা। মুলা ,ফুলকপি, পাতাকপি ,পোটল, মরিচ বেগুন,সহ সকল কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন আবুল নামের এক ব্যবসায়ী।
সুশীল সমাজ বলেন, এদেরকে নির্দিষ্ট স্থানে না আনতে পারলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, আরো বলেন এদের পিছনে একটি বড় মহান কাজ করছেন, যার কারণে দিন দিন এরা সুযোগে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে।
কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আল আমিন তালুকদার বলেন,আমরা বারবার চেষ্টা করেও তাদেরকে নির্ধারিত স্থানে আনতে পারিনি। মেয়রের কাছে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং আগামীকালকে এনো মহোদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ দিব। ৩ ব্যবসায়ী আমাদেরকে খুব হয়রানি করতেছে। আমরা এর একটা সুষ্ঠু সমাধান চাই।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মাসুমা আক্তার বলেন,বিষয়টি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দেখার দায়িত্ব তারপরও আমাদের কাছে যদি কেউ লিখিত অভিযোগ দেয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি।