ফরিদগঞ্জের সন্তোষপুরে মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানি করার অভিযোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি:

ফরিদগঞ্জ বাজারের  কাঠ ব্যবসায়ী গোলাপ  সরদার কর্তৃক মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগের আলোকে জানা যায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১১ নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়নের পূর্ব সন্তোষপুর গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার মিজি (৯০) ও মোঃ হাচান রাড়ি বয়সের ভারে নূজ হয়ে পড়েছে। এই বয়সে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ৯০ বছর বয়সের এই দুই বিদ্যাকে জেলে নিয়ে হয়রানি করছেন ফরিদগঞ্জ বাজারের স মিল ও কাঠ ব্যবসায়ী গোলাপ সরদার।

মোঃ হাচান রাড়ির ছেলে মোঃ শামীম অভিযোগ করে বলেন তার  মামাতো ভাই রুবেল(৩২) সপরিবার নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করতেন। সেখানে বাংলাদেশি বিভিন্ন ছেলেদের সাথে তার বন্ধুত্ব হয়। যাদের মধ্যে একজন ছিলেন ফরিদগঞ্জের স মিল ও কাট ব্যবসায়ী গোলাপ সরদারের ছেলে সোহেল(৩০)। সেই সুবাদে সোহেল নিয়মিত রুবেলের বাসায় আসতো। এরই মধ্যে রুবেলের স্ত্রীর সাথে সোহেলের পরকীয়া হয়ে যায়। এবং তাদের মধ্যে শারীরিক মেলামেশা পর্যন্ত সম্পর্ক গড়ায়। যাহা রুবেলের চোখে পড়ে। এসবের কারণে সোহেল এবং রুবেলের মধ্যে বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যায়। এবং রুবেল সোহেলকে তার বাসায় না আসতে বারণ করে দেয়। কিন্তু, রুবেল কাজে চলে গেলে এর পাকে সোহেল প্রতিনিয়তই রুবেলের বাসায় আসতো। সর্বশেষ গত এপ্রিল মাসের ৭ তারিখে রুবেল তার কর্মস্থল হতে বাসায় এসে দেখেন সোহেল তার স্ত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায়। এসময় সোহেল রুবেলকে দেখলে দৌড়ে বাসা থেকে বাহির হতে গিয়ে বাসার গেইটের উপর দিয়ে লাফ দিতে গেলে গিরিলের মাথা তার পেটে ঢুকে যায়। এবং পরক্ষণেই দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে নিলে সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এবং ওই দেশে থাকা অবস্থায় তার গচ্ছিত টাকা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমুহের বিকৃত টাকা সহ তার সমস্ত দায় দেনা পরিশোধ করা হয়।  এবং এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সেখানে  প্রবাসী আইন মোতাবেক রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা চলছে বলে অভিযোগ কারী শামীম জানান।

কিন্তু সোহেলের মৃত্যুকে নিয়ে গোলাপ সরদার ওই দেশের মামলাকে এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আইন কে তোয়াক্কা না করে রুবেলের পিতা আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার এবং  আমার বাবা হাচান রাড়ী (৭৬)কে সহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে ০১কোটি ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে চাঁদপুর জজ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। এবং সেই মামলায় গত আট তারিখ রাত একটার সময় মামলায় উল্লেখিত বয়োবৃদ্ধ  আমার মামা আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার(৯০) এবং  আমার বাবা হাসান রাড়ী(৭৬)কে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ দরে নিয়ে যায়। এবং কোটে চালান করে দেয়।

অভিযোগকারীর অভিযোগ বর্তমানে রুবেল এবং সোহেলের বিষয়টি নিয়ে প্রবাসীদের আইনে ওই দেশে মামলা চলছে। সেখানে কিভাবে মিথ্যা মামলায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত (৯০) বছরের একজন ব্যক্তিকে এবং (৮০)বছরের আরেকজন ব্যক্তিকে গভীর রাতে ঘর থেকে নিয়ে যায়। যাহা আমাদের বোধগম্য নয়।