নয়াদিল্লী মিশনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত

নয়াদিল্লীতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ সর্বকালের সেরা বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করেছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এটি ছিল পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয়মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের চূড়ান্ত পরিণতি।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম আনন্দের এই দিনটি উদযাপনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী।

আজ এখানে প্রাপ্ত এক বার্তায় এ কথা বলা হয়।
ডেপুটি হাইকমিশনার এ টি এম রকিবুল হক, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, মিনিস্টার (প্রেস) ফরিদ হোসেন এবং মিনিস্টার (কনুস্যুলার) মোশাররফ হোসেন অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে কনস্যুলার (কমার্স) ড. নাহিদ রশিদ এবং কনস্যুলার এ এফ এম জাহিদুল ইসলাম।

সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী কূটনৈতিক কার্যক্রমের উত্থাপের কথা স্মরণ করেন, যা পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু সেখানে ফাঁসির আসামীর সেলে সাড়ে নয়মাস মৃত্যুর প্রহর গুণছিলেন।
তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় অর্জনের প্রায় ১ মাস পর বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরেই কেবল বাঙালি জাতি প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের এযাবত কালের মহত্তম নেতাদের অন্যতম।’
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের আত্মার শান্তি ও মুক্তি এবং দেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করা হয়।