ধর্ষণ মামলার আসামিকে বিজয়ী করতে পাগল কারা – নিক্সন চৌধুরী

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা :

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের স্বতন্ত্র জাতীয় সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন) বলেছেন, “গত ১০ অক্টোবর চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে যুবদল নেতা ধর্ষণ মামলার আসামিকে চেয়ারম্যান বানাতে উঠেপড়ে লেগেছিলো কারা কত টাকার বিনিময়ে যার কারণে সারাদিন ম্যাজিষ্ট্রেট দিয়ে আমার কর্মীদের হয়রানী করা হয়। আমি শুধু প্রতিবাদ করেছি। আমি কোনো অন্যায় করি নাই। গত সাত বছরে আমি এমপি হিসেবে একটি টাকাও চুরি করি নাই, আমি ঘুষ খাই নাই, আমি খুন করি নাই। এই তিন থানার একটি লোকও বলতে পারবে না যে, নিক্সন চৌধুরী আজ পর্যন্ত সরকারি একটি টাকাও আত্নসাত করেছে। তারপরও আমার নামে মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন আমার একজন নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেফতার করে ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। আমি শুধু এ অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করেছি বিধায় আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমার কর্মীদের রক্ষা করার জন্য এ রকম একশত মামলা খেতে আমি ভয় পাই না। আমি সাধারন জনগণ ও কর্মীদের নিরাপদে রাখতে প্রতিবাদ করেই যাবো। তিনি বলেন, এতে যদি আমাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হয় তাতেও আমি ভয় পাই না। তিনি উপস্থিত সাধারনের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শুধু আমার সাথে থাইকেন, প্রতিবাদ আমি করেই যাবে।

শুক্রবার সন্ধায় উপজেলা আ’লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন মুসার স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিক্স চৌধুরী এসব কথা বলেন। উক্ত স্মরণ সভার সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় নেতা আনোয়ার আলী মোল্যা। সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য দেন,স্থানীয় নেতা মোঃ শাহজাহান মোল্যা, রাসেল জামান, মিজানুর রহমান ও মুন্নাফ মোল্যা প্রমূখ। সভায় অন্যার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আল-হাবিব, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সাহাদাৎ হোসেন ও চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন খানম প্রমূখ।

সভায় নিক্সন চৌধুরী একটি ধর্ষন মামলার এজাহার নথি দেখিয়ে জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ গত ১০ অক্টোবর উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ওবায়দুল বারী দীপু খান একটি অসহায় মেয়ের ধর্ষন ও হত্যা মামলার আসামী। মামলাটি’র চার্জশীটও হয়েছে। কিন্ত মামলাটি হাই কোর্টে ষ্ট্রে করে রাখা হয়েছে। সেই ধর্ষক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বানানোর জন্য যারা চেষ্টা তদবির চালিয়েছেন এবং নির্বাচনের দিন নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীদের হয়রানী করেছেন নিক্সন চৌধুরী স্মরন সভায় তাদের বিচারের জন্য দাবী তোলেন” ।