ঢাকা- ৫ আসনের উপ-নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কাজী মনিরুল ইসলাম মনু

আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ, ৭১ এর ৭ মার্চের ভাষণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হওয়া, ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে ডেমরা-তেজগাঁও অঞ্চলের ততকালীন এম.সি হেদায়েত উল ইসলামের নেতৃত্বে ভারত গমন, ট্রেনিং নেয়া এবং পরবর্তীতে ৮ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যার প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ীতে মিছিল বের করেন, ১৯৭৭ সালে দেশের বৈরী রাজনৈতিক আবহাওয়ার ভিতরেও ততকালীন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন বিপুল লোক সমাগম নিয়ে এয়ারপোর্টে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে তিনি ৮৭ নম্বর (পূর্বের ৩৩) ওয়ার্ড থেকে আরো দুইবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

জামায়াত-বিএনপির ক্ষমতার সময় ২০০৩ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাকে বৃহত্তর ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব দেন। সেই সময়ে বেশ কয়েকবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গ্রেপ্তার হয়ে জেলও খাটেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তাকে যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব দেন।

বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৫ আসন থেকে সদ্য প্রয়াত সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লার সঙ্গে যৌথভাবে তাকে মনোনয়ন দিলেও পরবর্তীতে চূড়ান্তভাবে মোল্লাকে দেয়া হয়।

দেশের এই সংকট মুহূর্তে বর্তমান প্রয়াত সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর পর ঢাকা-০৫ আসনের জনগণের দায়িত্ব নিতে চান কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু যাত্রাবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী কাজী পরিবারে ১৯৫২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরেই তার রাজনীতিতে যোগদান। ১৯৬৯ সালে জগন্নাথ কলেজে পড়া অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে মনুর হাতেখড়ি। সাংগঠনিক দক্ষতায় কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও বঙ্গবন্ধুর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তির জন্য আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। কাজী মনিরুল ইসলাম মনু সময় সংবাদ.কম কে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ও মাদার অব হিউমিনিটি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার বিগত দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সদয় বিবেচনা করে উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবেন। মনোনয়ন পেলে ঢাকা-৫ আসনের লোকজনদের মধ্যে আস্থা আসবে।

ঢাকা-৫ শূন্য ঘোষনা হওয়ায় এলাকার উন্নয়নের ধারা তরান্বিত করতে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক, জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, সব শ্রেণী পেশা মানুষের আপদে-বিপদের পরম বন্ধু, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি অন্যতম ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও গত জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন নাম উঠে এসেছিল উনার সাথে হাবিবুর রহমান মোল্লা নাম ছিল।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে হাবিবুর রহমান মোল্লাকে নৌকার মার্কায় বিপুল ভোটে বিজয়ী করে ঢাকা ০৫ আসনকে উপহার দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনা কে। যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-৫ আসনের আওতাধীন এলাকায় আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনুকে দলমত নির্বিশেষে এমপি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রতিটি ওয়ার্ডের সর্বশ্রেণীর মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাতে তাকে ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া সুনিশ্চিত।

বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনুকে নিয়ে জনমত জরিপের অংশ হিসেবে এবার আমরা ঢাকা-৫ আসনের সাধারন জনগনের মতামত জানার চেষ্টা করেছি। তারা বলছে আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। উপ- নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি বিজয় ছিনিয়ে আনবেন। সাধারণ লোকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সহজ সরল মানুষ হিসেবে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনুকে সকলেই পছন্দ করেন এবং তার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।

বিশিষ্ট সমাজ সেবক, লক্ষ লক্ষ জনতার নয়নের মনি, কর্মী বান্ধব, দুঃখি মানুষের আশ্রয় স্থল, জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ ও রাজপথের সাহসী নেতা যাত্রাবাড়ী থানা আ,লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু (বি,এ)।

জনগণের আশা-আকাঙ্খা অনুযায়ী জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন তারই সাথে যাত্রাবাড়ী থানাকে সাংগঠনিক ভাবে গতিশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে থাকেন, নিরাপদে থাকে। তাই উন্নয়ন, অগ্রগতির ধারা অব্যহত রাখতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ’কেই বারবার ক্ষমতায় রাখতে হবে। এ জন্য দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং দলের জন্য কাজ করতে হবে।