ঢাকা-০৫ সংসদীয় শূন্য আসনে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি?

সালে আহমেদ, ঢাকাঃ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৫ (ডেমরা-যাত্রবাড়ী ও আংশিক কদমতলী) আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছে সংসদ সচিবালয়। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এই আসনে।
তবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না হলেও ঢাক্-া০৫ (সংসদীয়-১৭৮) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে দোঁড়ঝাপ করছেন প্রায়  ডজন খানেক নেতা।ডেমরা যাত্রাবাড়ী ও আংশিক কদমতলী  নিয়ে ঢাকা- ০৫ আসনটি। ঢাকা-০৫ এর ইউনিয়ন রয়েছে মাতুয়াইল, ডেমরা, সারুলিয়া ও দনিয়া ইউনিয়ন এবং মোট ১৪ টি ওয়ার্ড (৬০ নং থেকে ৭০ নং এবং ৪৮, ৪৯ ও ৫০ নং ওয়ার্ড) নিয়ে এ আসন। ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লক্ষাধিক।
এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রাথমিকভাবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন-
বিশিষ্ট শিল্পপতি, বৃহ্ত্তর ডেমরা থানা ও ডেমরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও আমুলিয়া মডেল টাউনের চেয়ারম্যান হাজী আতিকুর রহমান (আতিক), যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম মনু, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন,ডেমরা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাড. রফিকুল ইসলাম খান মাসুদ, এশিয়ান টিভির চেয়াম্যান হারুনুর রশিদ সিআইপি, সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্যা’র ছেলে ও ডেমরা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মোল্লা সজল, মাতুয়াইল হাজী আঃলতিফ ভুঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি মোঃ আবদুল রাকিব ভুঁইয়া (ভুইঁয়া বাবু)। বাংলাদেশ আ,লীগের আর্ন্তজাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য নেহরীন মোস্তফা দিশি। জাতীয় পাটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুর সবুর আসুদ, জাসদের ঢাকা মহানগর(পূর্ব) সভাপতি শহিদুল ইসলাম।

(১) হারুনুর রশিদ মুন্নাঃ

দীর্ঘ ২৫ বছর বৃহওর ডেমরা বর্তমানে যাএাবাড়ি থানা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা  সাঃসম্পাদক ছিলেন।উপনির্বাচনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগ তিতিক্ষা করেছি দলের জন্য।১৯৯২সালের ৬ই ডিসেম্বর আওয়ামীলীগ ঘোষিত হরতালে যাএাবাড়ি চৌরাস্তায় পিকেটিং করা কালে বিএনপি ফ্রিডমপাটির ক্যাডাররা আমাকে হত্যা করার উদ্যেশে  রক্তাক্ত করে।তখন মাননীয় নেত্রী আমাকে দেখতে হাসপাতালে যায়। ১৯৯৪ সালে নয় মাস জেলে থাকতে হয়েছে।আমার বিরুদ্ধে ৬৪টি মামলা ৪৯দিন রিমান্ড ৯মাস জেল খেটেছি,বিবাহের ৩মাস পর জেলে গেলে সন্তান জম্ম নিলে সদ্য নবজাত সন্তানকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।ইনশাআল্লাহ দল থেকে মনোনীত হলে মাননীয় সংসদের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করবো।আ,লীগ নেতা আলমগীর ভুইঁয়া বলেন, ২০০৮সালে নেত্রীর মুক্তি ত্বরান্বিত করতে হারুনর রশীদ  যাএাবাড়িতে  ২৯৮৭৭০টি গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে মহানগর কার্যালয়ে জমা দেন।২০১৪সালের নির্বাচনে হারুনুর রশীদ  মুন্না’কে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ঢাকা-৫ এর অর্ন্তগত সকল ইউনিয়নের সভাপতি-সাঃসম্পাদক ও ঢাকা সিটি কর্পোঃ ওয়ার্ডের কমিশনার ও সভাপতি-সাঃসম্পাদক বৃন্দ মুন্না’কে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য মনোনয়ন বোর্ডকে রেজুলেশন করে অনুরোধ করেন।

(২) কাজী মনিরুল ইসলাম মনুঃ

ঢাকা-৫ (ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী আংশিক) নির্বাচনী আসনে আওয়ামী লীগ থেকে গত সংসদ নির্বাচনে যৌথভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা ও যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু(বি,এ)।পরে এমপি মোল্লা নমিনেশন পান।সেই সূত্রে হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর পর যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু কে ঘিরে শুরু হয়েছে ঢাকা-০৫ এর আওয়ামী রাজনীতির নতুন মেরুকরণ। ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ২০০৩ সালে বৃহত্তর ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে পর পর তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতি করতে গিয়ে একাধিকবার মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

৪৮ নং ওয়ার্ড আ,লীগের আতিকুর রহমান সুমন বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী মনিরুল ইসলাম মনু(বি,এ) ভাই সাধারণ নেতাকর্মীদের নিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগ অত্যন্ত শক্তিশালী সংগঠনে পরিচিতি লাভ করে। তাই তিনি এককভাবে নৌকার প্রতীক পেলে নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।’ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব  কাজী মনিরুল ইসলাম মনু (বি,এ)কালের  কন্ঠকে  বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে লালন করে দীর্ঘ তিন যুগ ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। রাজনীতি করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে একাধিকবার হামল-মামলার শিকার হয়েছি। বহুবার জেল-জুলুম খাটতে হয়েছে।

(৩) আতিকুর রহমান আতিকঃ

বৃহ্ত্তর ডেমরা থানা ও ডেমরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও ডেমরা থানার বতমান সিনিয়র ভাইস  প্রেসিডেন্ট  আলহাজ্ব মো:আতিকুর রহমান(আতিক)।আশির দশক থেকে তার রাজনৈতিক গোড়াপত্তন শুরু হলে ও ৯৬ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৭০ নং ওয়ার্ডে পরপর দুই দুই বারের সফল কাউন্সিলর। এলাকায় তার ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা রয়েছে।দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডের কারণেও তিনি মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন।এ ছাড়া বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরতে নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি, পথসভা, মতবিনিময়, গণসংযোগ এবং রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন তিনি।এ আসনের স্থানীয় সরকারের বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধিও চান তিনি মনোনয়ন পাক।শিক্ষানুরাগী আতিকুর রহমান আমেরিকার নিউইয়ক সিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে তার মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে ডেমরার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছেন।শুধু তাই নয় ডেমরা থানাকে একটি মডেল থানা হিসেবে পরিনত করতে তিনি নিউইয়ক এর লাগুরদিয়া কমিউনিটি কলেজ থেকে ডিপ্লোমা ইন রিয়েল এসেস্ট ডিগ্রি লাভ করেন।
মনোনয়নের ব্যাপারে আতিকুর রহমান আতিক বলেন,ডেমরার একমাত্র একক প্রার্থী  আমি।বাকি সবাই যাত্রাবাড়ী থানার,যেহেতু আমি ডেমরার গর্বিত সন্তান তাই এই আসনটি আমিই একমাত্র পাওয়ার উপযুক্ত।জনগন আমাকে ভালোবসে তাই আমি জনগনের সাথে মিশে আছি।আমার জনপ্রিয়তার কারনে এলাকাবাসী আমাকে আপন করে নিয়েছে।গনতন্ত্রের মানসকন্যা খ্যাত ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকেই নেীকার টিকেট দিবে এবং নেীকার বিজয়ের মালা নিয়ে আমার নেত্রীর হাতে ফুলের তোড়া উঠিয়ে দেবো।তিনি এই প্রতিবেদককে আর ও বলেন,জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার পিতার নামে ২০১৩ সালে হাজী এম এ গফুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় উপহার দিয়েছেন।শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য আমার নিজস্ব অর্থাযনে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি এবং আমার নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির প্রস্তাবনা চলছে ।

(৪) মশিউর রহমান মোল্লা সজলঃ

প্রয়াত এমপি মোল্লার  বড় ছেলে মশিউর রহমান মোল্লা সজল।ডেমরা থানা আ,লীগের সাধারন সম্পাদক ।তবে পিতার রাজনৈতিক ইচ্ছা আখাংঙ্খা খুব ভাবে অনভব করতে পেরেছেন মুজিব আর্দশের মানুষ মশিউর রহমান মোল্লা।তিনি উপ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।তাকে নিয়ে পিতা প্রয়াত হাবিবুর রহমান মোল্লার অনুসারীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চয় হয়েছে।মশিউর রহমান মোল্লা বলেন, বঙ্গবন্ধুর সপ্ন বাস্তবায়ন ও জননেত্রীর সহযোগিতায় আমার বাবার আর্দশে অনুপ্রানিত হয়ে মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে যেতে চাই।২০০৮সালে নেত্রীর মুক্তি ত্বরান্বিত করতে গনস্বাক্ষর কার্যক্রমে অংশগ্রহন করি।ওয়ান ইলেভেনের সময় অনেক নির্যাতন, মামলা ও জেল খাটতে হয়েছে কয়েকবার। প্রয়াত এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা তিনি শুধু দলীয় প্রার্থী নয় ব্যক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ জনতার মনজয় করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে এলাকার জনগনের সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত করে ছিলেন মৃত্যুর আগ মুহুর্তেও।রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজে জড়িত থেকে মানুষের পাশে দাড়াচ্ছি।মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও কবরস্থানের নায়েবে মোতাযাল্লী।
আমার বাবার অসমাপ্ত কাজ গুলো শেষ করবো এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঢাকা-০৫ আসনকে একটি সমৃদ্ধ আসন হিসেবে তৈরি করবো।

(৫) কামরুল হাসান রিপনঃ

ঢাকা-০৫ উপনির্বাচনে অন্যতম প্রার্থী হলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন।নব্বই দশকে রাজনীতির উত্তান শুরু হয় কামরুল হাসানের। ১৯৯১-৯২ সালে তৎকালীন ঢাকা-০৫ এ হাবিবুর রহমান মোল্লার সাথে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন।১৯৯২ সালে দনিয়া কলেজের ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, ২০০৩-২০১০ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।ওয়ান ইলেভেনের লড়াই সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চার -পাঁচ বার জেল ও ১৮-১৯ টি মামলা খেতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি লক্ষাধিক স্বেচ্ছাসেবকের আইকন হিসেবে রাজনীতির অঙ্গনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।কামরুল হাসান বলেন,দলীয় মনোনয়ন পেলে ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঢাকা-০৫ আসনের ঐতিহ্য পূর্নরুদ্ধার করে আ,লীগের দূর্গ হিসেবে পরিনত করার জন্য নিরলস কাজ করে যাবো।সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করবো।

(৬) নেহরীন মোস্তফা দিশিঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুত্রবধু শহীদ সুলতানা কামালের ভাতিজী জনাবা নেহরিন মোস্তফা দিশি। তার বড় চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ মোহাম্মদ রফিক মৃধা দীর্ঘদিন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু কল্যান ট্রাষ্ট এর কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নেহরীন মোস্তফা দিশি বাংলাদেশ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আর্ন্তজাতিক বিষয়ক উপকমিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন, এই মেধাবী রাজনীতিবিদ ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে মাষ্টার্স করেছেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত এবং এটিএন নিউজ এ সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টর হিসেবে দায়িত্বে আছেন,
ডেমরা থানা যুবলীগ নেতা আশরাফুল আলম  (রিদয়) বলেন, নেহরীন মোস্তফা দিশি আপা  জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ঢাকা ৫ আওয়ামী লীগকে গতিশীল করার জন্যে মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে কাজ করে যাচ্ছেন।

(৭) আঃ রাকিব ভুইয়া (ভুইয়া বাবু) :

রাকিব ভুইয়ার বড় দাদা মৃত মোঃ ফাজিল ভুঁইয়া ১৯১৪ সালে মানুষের কল্যানের স্বার্থে ফাজিল ভুঁইয়া ওয়াকফ এসেস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। তার বড় বাবা মৃত মোঃওয়াসিন ভুইয়া তিনি ঢাকা-০৫ আসনের মানুষের পানির চাহিদা পুরনের জন্য বিশাল দীঘি খনন করেন।তার দাদা মৃত হাজী লতিফ ভুঁইয়া যিনি বৃহত্তর ঢাকা তেজগাও সার্কেলের সর্বোত্তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেন ।তার বাবার চাচাতো ভাই সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৬৫ নং ওয়ার্ডের আ,লীগ থেকে মনোনীত কাউন্সিলর।

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার আর্দশ লক্ষ ও উদেশ্য বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাজনীতির সার্বিক চর্চা এবং দেশ ও জাতির কল্যানে নিয়োজিত থাকবে বলে ও আশা ব্যক্ত করেছেন। জনগন আমাকে ভালোবসে তাই আমি জনগনের সাথে মিশে আছি।আমার জনপ্রিয়তার কারনে এলাকাবাসী আমাকে আপন করে নিয়েছে।গনতন্ত্রের মানসকন্যা খ্যাত ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উপনিবাচনে আমাকে নেীকার টিকেট দিলে ঢাকা-০৫ আসনকে একটি রোল মডেল হিসেবে তৈরি করবো। এই প্রতিবেদককে আর ও বলেন, ঢাকা-০৫ আসনের জনগণের জন্য নিজস্ব জমিতে ৫ টির অধিক সুপেয় পানির জন্য জমি প্রদান করবো, এক হাজার বা তার অধিক শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য দেশনেত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী নিজস্ব জমিতে আšতজাতিক মানসম্মত শেখ রাসলে ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল নির্মান করন।মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠকে প্রশস্ত করে বঙ্গবন্ধু মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ নামকরন। ঢাকা-০৫ আসনে একটি মিনি স্টেডিয়াম নিমার্ন ।বঙ্গবন্ধু ফজিলাতুনন্নেসা বৃদ্ধাশ্রম নামকরন করে নিজস্ব জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মান  করন।

(৮) এ্যাড. রফিকুল ইসলাম মাসুদঃ

ডেমরা থানা আ,লীগের সভাপতি এ্যাড রফিকুল ইসলাম খান মাসুদ গত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আ,লীগের থেকে এমপি পদপ্রার্থী ছিলেন।এবার ও তিনি এমপি পদে নিবাচন করবেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তার ও রয়েছে  স্বচ্চ ও ক্লিন ইমেজ।
অনেকে মাঠপর্যায়ে কর্মীদের সংগঠিত করতে শুরু করেছেন। নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও সরব রয়েছে। ইতোমধ্যেই তারা অনেকেই যোগাযোগ করতে শুরু করেছে কেন্দ্রে। উপনির্বাচনের ভোটের দিন শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশ দেখেই মনস্থির করবেন সাধারণ ভোটাররা নেীকা মার্কার অপেক্ষায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ও দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণার অপেক্ষায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সবার মুখে একটায় উক্তি কে হচ্ছে কাংক্ষিত নৌকার মাঝি।
প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৫ (ডেমরা-যাত্রাবাড়ী) আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান মোল্লা গত ৬ মে  মারা গেলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।