ঢাকা-০৫ আসনে জনমত জরিপের শীর্ষে আবদুল রাকিব ভুঁইয়া

সালে আহমেদ :
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মহামারী করোনা দুর্যোগের সময় বাংলাদেশের জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন ও বিশেষ সহযোগিতা প্রধানমন্ত্রী খাদ্য সামগ্রী উপহার প্রতিটি জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করে যাচ্ছেন।
ঠিক সেই সময়ে করোনা মহামারী দুর্যোগে বিপর্যস্ত
ঢাকা-০৫ আসনের সাধারন মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষনুরাগী, দানবীর, তরুন প্রজন্মের অহংকার ও মাতুয়াইল হাজী আঃ লতিফ ভুঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি মোঃ আবদুল রাকিব ভুইয়া (ভুইঁয়া বাবু)। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নিন্মবিত্তের জন্য সরকারী সাহায্য ও ব্যক্তি উদ্যোগের বিভিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনায় প্রায় ৫ হাজারের অধিক পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে এবং লতিফ ভুঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রমজানের সময় শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দেড় হাজার পরিবার কে সহায়তা করেছে। ১০৬ বছর যাবত পরিবারের চেইন অফ কমান্ড অনুযায়ী বংশ পরম্পরায় কাজ করছি।
সম্প্রতি ঢাকা-০৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে উক্ত আসনটিকে শূন্য ঘোষনা করা হয়েছে। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, মাতুয়াইল হাজী আঃলতিফ ভুঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি মোঃ আবদুল রাকিব ভুইয়া (ভুইঁয়া বাবু) সহ ডজন খানেক প্রার্থীর নাম। ইতিমধ্যে অন্যান্য প্রার্থীরা ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা শুরু করেছে। অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় জনমত জরিপে এগিয়ে ভুঁইয়া বাবু। শত বছর যাবত তাদের পরিবার শিক্ষায়, মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে দান করে এসেছেন।
এরই মধ্যে আলোচনায় আছেন মাতুয়াইল হাজী আঃ লতিফ ভুঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি ও ভুঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদের, মুসলিম নগর খায়রুল সুফিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বর্তমান মোতওয়াল্লী রাকিব ভুইয়া।
রাকিব ভুইয়ার বড় দাদা মৃত মোঃ ফজল ভুঁইয়া ১৯১৪ সালে মানুষের কল্যানের স্বার্থে ফজল ভুঁইয়া ওয়াকফ এস্টেট প্রতিষ্ঠা করেন। তার বড় বাবা মৃত মোঃ ওয়াসিন ভুঁইয়া তিনি ঢাকা-০৫ আসনের মানুষের পানির চাহিদা পুরনের জন্য বিশাল দীঘি খনন করেন। তার দাদা মৃত হাজী লতিফ ভুঁইয়া যিনি বৃহত্তর ঢাকা তেজগাও সার্কেলের সর্বোত্তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেন এবং যিনি মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ এর জমি দান করেন, তিনি মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ এর মোতাওয়াললী ও ফজল ভুঁইয়া ওয়াকফ এসেস্ট, মাতুয়াইল ভুইয়া বাড়ী জামে মসজিদের এর মোতাওয়াল্লী ছিলেন। তার বাবার চাচাতো ভাই সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৬৫ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ থেকে মনোনীত কাউন্সিলর।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবদুল রাকিব ভুঁইয়া বাবু দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। জনগণের খোঁজখবরও নিয়মিত রাখেন। বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে সর্বসাধারনের পাশে দাড়িয়েছেন সেবক হিসেবে। তার উদ্যোগে করোনা শুরুর  প্রথম থেকে গনসচেতনতা তৈরি, মাস্ক বিতরন, মাইকিং, লিফলেট, খাদ্য সহায়তা প্রদান, ফোন কলের সাথে খাদ্য পাঠিয়েছেন নিজে গিয়ে বা কখনো লোক পাঠিয়ে দিয়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন মহানগর দক্ষিনের সভাপতি ও করোনা যোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু আহমেদ মন্নাফী চাচার পরামর্শ ও সকল নির্দেশে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সকল কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
এমপি না হয়েও তিনি ডেমরা-যাত্রাবাড়ী তথা ঢাকা-৫ আসনের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নানান ভাবে ভূমিকা রাখছেন এবং বিভিন্ন ভাবে এলাকার অনেক বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা বেতনে  পড়ালেখার সুযোগ, শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা সৃষ্টি করছেন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এলাকায় তার ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা রয়েছে। দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডের কারণেও তিনি মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন। এ ছাড়া বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরতে নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি, পথসভা, মতবিনিময়, গণসংযোগ এবং রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন তিনি। প্রতিটি নির্বাচনে তিনি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ  করেছেন। অসংখ্যা মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির ও স্কুল-কলেজ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি করেছেন। ঢাকা-৫ আসনের আওতাধীন এলাকায় রাকিব ভুঁইয়া (ভুঁইয়া বাবু) দলমত নির্বিশেষে এমপি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রতিটি ওয়ার্ডের সর্বশ্রেণীর মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাকে ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া সুনিশ্চিত। সহজ সরল মানুষ হিসেবে বাবু ভুঁইয়াকে সকলেই পছন্দ করেন এবং তার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।
উপনির্বাচনে মনোনয়নের ব্যাপারে রাকিব ভুঁইয়া বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য কন্যা ডিজিটাল বাংলার রুপকার গনতন্ত্রের মানসকন্যা আওয়ামীলীগের সফল সভানেত্রী ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন
জননেত্রী শেখ হাসিনার আর্দশ লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাজনীতির সার্বিক চর্চা এবং দেশ ও জাতির কল্যানে নিয়োজিত থাকবে বলে ও আশা ব্যক্ত করেছেন। জনগন আমাকে ভালোবাসে তাই আমি জনগনের সাথে মিশে আছি। আমার জনপ্রিয়তার কারনে এলাকাবাসী আমাকে আপন করে নিয়েছে। গনতন্ত্রের মানসকন্যা খ্যাত ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উপনিবাচনে আমাকে নৌকার টিকেট দিলে ঢাকা-০৫ আসনকে একটি রোল মডেল হিসেবে তৈরি করবো। এই প্রতিবেদককে আরও বলেন, ঢাকা-০৫ আসনের জনগণের জন্য নিজস্ব জমিতে ৫ টির অধিক সুপেয় পানির জন্য জমি প্রদান করবো, এক হাজার বা তার অধিক শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য দেশনেত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী নিজস্ব জমিতে আর্ন্তজাতিক মানসম্মত শেখ রাসলে ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল নির্মান করণ। মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠকে প্রশস্ত করে বঙ্গবন্ধু মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ নামকরন। ঢাকা-০৫ আসনে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মান। বঙ্গবন্ধু ফজিলাতুনন্নেসা বৃদ্ধাশ্রম নামকরন করে নিজস্ব জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মান  করবেন।