ডেমরায় অসহনীয় লোডশেডিং ও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন 

ডেমরা প্রতিনিধি :

রাজধানীর ডেমড়া যাত্রবাড়ী থানা এলাকার মাতুয়াইল,আদর্শবাগ,সহ আশেপাশের এলাকায় মাসখানেক ধরে চলছে অসহনীয় লোডশেডিং।
এতে ভোগান্তিতে পরেছেন এলাকার মানুষ।ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। এর পরও আবার লোডশেডিং।এক ঘণ্টা পর পর দিনে ৮- ১০ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করছে। এতে দিন দিন ফুঁসে উঠছে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় প্রায় ৩ লাখ মানুষ। রাতের বেলা একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন না। শিক্ষার্থীরা রাতের বেলা ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারছে না। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা, ব্যাংকিং সেবা, শিক্ষা ও গৃহস্থালির কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা।আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি সপ্তাহে সে তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিরুপন করা হয়েছে।গত সপ্তাহে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এদিকে গরমের কারণে বেড়ে গেছে বিদ্যুতের চাহিদা। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারার কারণে রাজধানীর ডেমড়া যাত্রবাড়ি থানা এলাকায় শুরু হয়েছে লোডশেডিং। আদর্শবাগের বাসিন্দা নাজনিন আক্তার জানান, গত কয়েক দিন ধরেই সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আসছে প্রায় এক ঘণ্টা পর। এই ঘটনা একবার নয়। সন্ধ্যার পর কয়েকবার ঘণ্টার পর ঘন্টা পালা করেও বিদ্যুৎ চলে গিয়েছে। দীর্ঘদিন এ ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট হওয়ার কারণে ভোগান্তি বেশি হচ্ছে।যা এ অঞ্চলবাসীর কাছে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে।বাসাবাড়িতে পানির সংকট, রেফ্রিজারেশনে রাখা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার পচে নষ্ট হয়ে যায়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক লোকসান গুনতে হচ্ছে।ওয়াসার পাম্পগুলো বিদ্যুৎ সংকটের কারনে ঘন্টার পর ঘন্টা বন্ধ থাকায় খাবার পানি ও ব্যাবহারের পানি সঙ্কট তীব্র আকার ধারন করেছে। স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে বার বার ফোন দিয়েও মিলছে না কোন সমাধান ।তারা বলছে সঞ্চালন লাইন মেরামত এবং বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার দিয়ে তেল পড়ার কারনে এ সমস্যার সৃস্টি হয়েছে।তবে কতদিন নাগাদ চলবে এ সমস্যা তার কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি