অনলাইন শিক্ষাঙ্গনের সেরা কারিগর অধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ

আল আমিন হাসান লিখন :
করোনাকালে স্থবির শিক্ষাকার্যক্রম বিকল্প উপায়ে এগিয়ে নিতে গত ১ এপ্রিল থেকে অনলাইন ক্লাস চালু হয় ঢাকা কলেজে, যা করোনা পরিস্থিতিতে দেশে প্রথম। ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করছেন দেশসেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা।
গত ২০ আগস্ট ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হাবিবুর রহমান লেখেন, ‘ঢাকা কলেজের কাজপাগল সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ অনলাইন শিক্ষা ও পরীক্ষা কার্যক্রমে যে ভূমিকা রেখেছেন তা বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। ধন্যবাদ তাকে।’
বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আই কে সেলিম উল্ল্যাহ খোন্দকার লেখেন, ‘অধ্যক্ষ হলো একজন লিডার। সীমাবদ্ধতা আছে, তবুও তিনিই পারেন প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে। অধ্যক্ষ নেহাল আহমেদের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ করোনাকালে প্রথম থেকেই ইন্টারের ক্লাস অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে শুরু করে। যেটা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমি প্রথমেই অনার্স-মাস্টার্সের ক্লাসগুলো নিয়ে অনলাইনে যাই। ইন্টারে ঢাকা কলেজের ক্লাস শেয়ার শুরু করি। পরে আমার শিক্ষকরা অভ্যস্ত হলে ইন্টারও পুরোদমে শুরু করি। ঢাকা কলেজের আইসিটি বিভাগ অনেক সুসংগঠিত।’গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা কলেজের প্রথম অনলাইন পরীক্ষা। একাদশ শ্রেণির ওই পরীক্ষায় কলেজের ১ হাজার ১৫৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন অসুস্থতাজনিত কারণে অংশ নিতে পারেননি। অর্থাৎ ৯৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার বিষয়কে কলেজ প্রশাসনের সফলতা হিসেবে দেখছেন শিক্ষক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টরা ৷
যদি এই অনলাইন ক্লাস পদ্ধতি সফল হয়ে থাকে তাহলে এর অন্যতম সেরা কারিগর ঢাকা কলেজে সম্মানিত অধ্যক্ষ অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।
যিনি শুধু নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কথা না ভেবে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য এই অনলাইন ক্লাস উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। তার এই মু্ক্তচিন্তা শিক্ষাঙ্গনের ইতিহাসে এক অনন্য নজির।